গর্ভপাতের পর নামাজ

প্রশ্ন: আমার স্ত্রী দেড় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তার গর্ভ নষ্ট হয়ে যায়। আর তা কিছু গোশতের টুকরার আকারে বেরিয়ে আসে। এরপর ৫/৬ দিন পর্যন্ত রক্ত আসে। স্রাবের সময়ও তার এমনই দেখা যায়। ঐ দিনগুলোতে সে নামাজ পড়েনি। আমার স্ত্রী মুফতি সাহেবের নিকট জানতে চায় যে, তার ঐ নামাজ কি কাজা করতে হবে?

উত্তর: প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে গর্ভটির যেহেতু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ হয়নি, তাই ৫/৬ দিন পর্যন্ত যে রক্ত এসেছে তা হায়েজ (মাসিক ঋতুস্রাব) হিসেবে গণ্য হবে; নেফাস (সন্তান প্রসবের পরের স্রাব) নয়। আর উভয় অবস্থাতেই যেহেতু মহিলাদের নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকা জরুরি, তাই আপনার স্ত্রী ঐ দিনগুলোর নামাজ ছেড়ে দিয়ে ঠিকই করেছেন। তা কাজা করতে হবে না।

সূত্র: আলবাহরুর রায়েক : ১ : ২১৯; ফাতহুল কাদির : ১ : ১৬৫-১৬৬; আদ্দুররুল মুখতার : ১ :  ৩০২-৩০৩

মন্তব্যসমূহ

  1. আজ থেকে তিন দিন আগে ইচ্ছাকৃত গর্ভপাত বা D&C করা হয়।আজ তিন দিন পর রোজা। এমতাবস্থায় রোজা, নামাজ কি করতে হবে।

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আমি একটা প্রশ্ন করতে চাই।কিভাবে করব??

      মুছুন
    2. হ্যাঁ, গর্ভপাতের পর রক্ত বন্ধ হয়ে গেলে তখন থেকে নামাজ ও রোজা আদায় করতে হবে। আর যে ক'দিন রক্তপাত চলবে, সে ক'দিনের নামাজ পড়তে হবে না; তবে পরবর্তীতে রোজার কাজা আদায় করতে হবে।

      মুছুন
  2. আমার স্ত্রী তিন মাসের গভবতি ছিল , হঠাৎ তার রক্ত খরন দেখা দেয়, এক পযায়ে দশ দিনের দিন সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে, এবং সেই আজ তিন দিন যাবৎ সুস্থ সেই কি এখন নামায পড়তে পারবে

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হ্যাঁ, যখন থেকে তার রক্তপাত বন্ধ হয়ে যাবে, তখন থেকেই নামাজ-রোজা আদায় করতে হবে।

      মুছুন
  3. আমি আরাই মাসের গর্ভবতি ছিলাম।২সপ্তাহ হলো আমার গর্ভপাত হয়েছে। আমি কি এখন নামাজ আদায় করতে পারব?

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হ্যাঁ, গর্ভপাতের পর আপনার রক্তপাত বন্ধ হয়ে গেলে আপনি নামাজ পড়তে পারবেন এবং পড়তে হবে।

      মুছুন
  4. আসসালামু আলাইকুম।
    আমার একটি তিন বছরের বাচ্চা আছে। আমার লেখাপড়া চলমান। তাই আমার ব্যক্তিগত সমস্যা দৃশ্যমান হওয়ায় আমি গুণাহ জেনেও ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ভপাত ঘটিয়েছি স্বামীর সম্মতিতে।আমার মাসিক এর সময় পার হওয়ার ১৪ দিন পর এই কাজ করি। তা প্রথম রমজানে। এখন আমার নামাজ ও রোজার মাসআলা জানালে উপকৃত হতাম। ধন্যবাদ

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. আপনার গর্ভের কত দিন হয়েছিল? সেটা উল্লেখ করুন।

      মুছুন
  5. আমার তিন মাসের গর্ভপাত হয় ১৫ দিন পর্ন্ত রক্ত থাকে একসপ্তাহ ভাল যায় তখন নামাজ আদায় করি এখন আবার রক্ত দেখা দিছে কিরব নামাজ পড়তে পারব কি

    উত্তরমুছুন
  6. গর্ভপাত হওয়ার পর ১০/১২ দিন ব্লিডিং হয় এরপর থেকে ব্লিডিং বন্ধ হয় কিন্তু স্রাব এর সাথে পানি কালার মতো হালকা ব্লাড যায় তাহলে আমি কি নামাজ পরতে পারবো?

    গর্ভপাত হওয়ার প্রায় ১ মাস হচ্ছে

    উত্তরমুছুন
  7. আমার বাচ্চা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল তারপর আমি ডি এন সি করেছি। আজকে ১৬ দিন হলো ডি এন সি করেছি। এখন আমার কোনো ব্লিডিং হয় না। এখন কী আমি নামাজ পরতে আর রোজা রাখতে পারবো??

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনি নামাজ পড়তে এবং রোজা রাখতে পারবেন।

      মুছুন
  8. আমার গর্ভপাত হয় নি বাচ্চার হার্টবিট আসে নাই তাই ডক্টর অপেক্ষা করতে বলচে এর মধ্যে আমার প্রায় ১৫ দিন যাবত কম কম রক্ত পাত হয় এই অবস্থায় কি আমি নামাজ আদায় করতে পারবো না করলে কি গুনাহ হবে

    উত্তরমুছুন
  9. আসসালামু আলাইকুম, আমার তিন বছরের একটি বাচ্চা আছে, ১৩ মাসের একটি বাচ্চা আছে, এখন আবার আমি ৬ সপ্তাহ প্রেগন্যান্ট, আমার জরায়ুতে টিউমার আছে, এখন আমি গর্ভপাত করিয়েছি আমার কি গুনাহ হবে,? আমি কতদিন পর নামাজ পড়তে পাড়বো?

    উত্তরমুছুন
  10. আমার ২ মাস ১৩ দিনে গর্ভপাত হয়েছে,,,আমার এখনো রক্তপাত হচ্ছে। আজ ৮ দিন হলো,,,,রমজান মাস চলছে,, আমি তবে কতদিন পর নামাজ রোজা করব?

    উত্তরমুছুন
  11. আমার ৬সপ্তাহ হয়েছে কনসিভ হয়েছি।কিন্তু আমার স্বামীর ইচ্ছে নেই এখন বাচ্ছা নেওয়ার তাই আমরা বাধ্য হয়ে ৬সাপ্তাহের বাচ্চা নষ্ট করেছি এখন কি আমাদের গুনাহ হবে? এর জন্য কি করতে হবে প্লিজ কেউ যদি বলতেন🥹

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. সাধারণত গর্ভের ভ্রুণের বয়স ৪ মাস হয়ে গেলে তাতে রুহ তথা প্রাণ সঞ্চার হয়ে যায়। এমতাবস্থায় গর্ভপাত করা মানে একটা প্রাণকে হত্যা করা। তাই আপনার এবং আপনার স্বামীর অবশ্যই মারাত্মক কবিরা গুনাহ হবে। আপনাদের উচিত অনুতপ্ত হয়ে তাওবা ও ইস্তিগফার করা।

      মুছুন
  12. আমি ১ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলাম ,,আমার গর্ভপাত হুয়ার পরে ৩,৪দিন ব্লাড গিয়েছে এরপর ৩ দিন হালকা হালকা ব্লাড যাচ্ছে এখন কি নামায পড়তে পারবো

    উত্তরমুছুন
    উত্তরগুলি
    1. প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার উক্ত ব্লাড যদি দশ দিনের কম থাকে, তাহলে তা হায়েজ তথা মাসিক ঋতুস্রাবের রক্ত হিসেবে গণ্য। তাই এই দিনগুলোতে আপনি নাপাক। এমতাবস্থায় আপনি নামাজও পড়তে পারবেন না, রোজাও রাখতে পারবেন না। পরবর্তীতে (পাক হওয়ার পর) নামাজের কাজা লাগবে না, তবে রোজার কাজা আদায় করতে হবে। আর যদি ব্লাড দশ দিনের বেশি যায়, তাহলে তা ইস্তিহাজা তথা অসুস্থতা জনিত রক্ত হিসেবে গণ্য। এমতাবস্থায় দশ দিনের অতিরিক্ত দিনগুলোতে আপনি রোজা রাখবেন এবং নামাজের প্রত্যেক ওয়াক্তের জন্য ওজু করে নামাজ পড়বেন৷

      মুছুন
  13. আমার 11 সপ্তাহে বাচ্চা নষ্ট হয়ে যায় আজ আমার 12 দিন চলতেছে আমার রক্ত বন্ধ হয় আবার হালকা দেখতেছি গতকাল সারাদিন দেখিনি কিন্তু আসর নামাজের সময়ে দেখছি রাতেও দেখেছি কিন্তু সকাল থেকে আর দেখছিনা এখন কি নামাজ পড়তে পারব?

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

জনপ্রিয় ফতোয়াসমূহ

মুসাফির অবস্থায় জামাতে নামাজ এবং রাকাত সংখ্যা

দোয়া কুনুত না পড়ে রুকুতে চলে গেলে কী করবে?

তাহাজ্জুদ, আউয়াবিন ও অন্যান্য নফল নামাজ জামাতে পড়ার বিধান

কবর খননের সুন্নত পদ্ধতি